মাদ্রাসা অধ্যক্ষকে গুম-হত্যা: ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিলো ট্রাইব্যুনাল

২০২৩ সালে গাজীপুরের মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল হোসেন আল-আমিনকে অপহরণ, নির্যাতন, হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সাবেক প্রধান মো. আসাদুজ্জামানসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
সিটিটিসির সাবেক প্রধান আসাদুজ্জামানসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুম-হত্যার অভিযোগ আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। ওই পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। ভুক্তভোগী মাওলানা আবুল হোসেন আল-আমিন ২০২৩ সালে গাজীপুরের এক মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন; তাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন, হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আমলে নেওয়া বিচারপ্রক্রিয়ায় একটি বড় অগ্রগতি। অভিযুক্তরা সিটিটিসির মতো স্পর্শকাতর ইউনিটে দায়িত্ব পালন করায় মামলাটি অধিক গুরুত্ব পাচ্ছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির খবরে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আসার প্রক্রিয়া এগোবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। মামলার পরবর্তী ধাপে অভিযুক্তদের আদালতে হাজিরা ও জিজ্ঞাসাবাদের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে; সাক্ষ্যপ্রমাণ ও তদন্ত-নিরপেক্ষতা মামলাটির পরিণতি ঠিক করবে বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ধরনের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া এক দফা অগ্রগতি; অভিযুক্তদের অবস্থান, তদন্তের সময়সীমা ও অভিযোগের সুনির্দিষ্ট নথিপত্রই পরবর্তী শুনানির কেন্দ্রে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য আইন ভাঙলে তারও জবাবদিহি আছে—এ ধরনের বার্তাই এই মামলাকে নজরে এনেছে।
মাদ্রাসা অধ্যক্ষের গুম-হত্যা মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে; এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাইব্যুনালের এই সিদ্ধান্তে মামলাটির ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আশা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযুক্ত পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়ায় বিচারের পথ সুগম হলো। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আইনানুগ ও জবাবদিহিমূলক তদন্ত জরুরি বলে আলোচনা উঠেছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি
2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।
- ইত্তেফাক-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ দৈনিক ইত্তেফাক
- বাংলাদ্রিবিউন-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ বাংলা ট্রিবিউন





