শর্টকাটের কথা বলে কিশোরীকে নির্জন পথে নেন চালক, ধর্ষণের পর হত্যা: পুলিশ

- একটি নির্জন ও অন্ধকার স্থানে অটোরিকশা থামিয়ে দেন চালক
- পুলিশের ভাষ্য, এ সময় সুমন ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন
এ তথ্য জানিয়ে পুলিশ বলেছে, শর্টকাট পথে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চালক সুমন মিয়া (৩৫) তাকে নির্জন এলাকায় নিয়ে যান।
‘আমার কলিজার পাখিটা যখন চলে গেছে, এখন আর কিছু বলব না’. আজ শনিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে কুমিল্লা জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া।
কুমিল্লায় ধানখেত থেকে সপ্তম শ্রেণির যে ছাত্রীর (১৫) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, সে সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে বাসায় ফেরার জন্য সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় উঠেছিল।
একপর্যায়ে ৩০০ টাকা ভাড়া ঠিক করে সুমনের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে সে।
অটোরিকশায় ওঠার পর কিছুটা সামনে গিয়ে চালককে ১০০ টাকা দেন ওই কিশোরী।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৮ অক্টোবর রাতে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় বাস থেকে নামে ওই কিশোরী।
পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সুমনের এককভাবে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
জিজ্ঞাসাবাদে সুমন মিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
এ সময় লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানসহ জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনার পর তিনি পালিয়ে তাঁর ভাইয়ের কাছে আত্মগোপনে ছিলেন।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





