জাতীয়যাচাই চলছে

সাংবাদিকদের থামিয়ে সন্তানদের জন্য লাঞ্চ বানালেন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী কার্ল ডাইসেরথ

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
সাংবাদিকদের থামিয়ে সন্তানদের জন্য লাঞ্চ বানালেন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী কার্ল ডাইসেরথ — যাচাইডেস্ক
এক নজরে
  • চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক যুগান্তকারী ভূমিকার জন্য তিনি ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার জিতেছেন
  • কার্ল ডাইসেরথ স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন

৫৪ বছর বয়সী বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ ‘অপটোজেনেটিকস’ নামের নতুন এক প্রযুক্তির গবেষণার জন্য জার্মানির দুই বিজ্ঞানীর সঙ্গে যৌথভাবে এই নোবেল পান।

পরীক্ষার ফল ভালো করব কীভাবে. এক সাক্ষাৎকারে ডাইসেরথ বলেন, ‘ফোনটি পেয়ে মুহূর্তের জন্য আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলাম।

এটি এমন এক পদ্ধতি, যার সাহায্যে আলো ব্যবহার করে মস্তিষ্কের ভেতরের নিউরন বা কোষকে সুইচের মতো অন–অফ করা যায়।

রাতের কাজ আর শিক্ষার্থীদের ই–মেইলের উত্তর শেষে যখন ঘুমাতে যাবেন, ঠিক তখনই স্টকহোমের নোবেল কমিটির কাছ থেকে ফোন আসে তাঁর কাছে।

এ কাজে দারুণভাবে সহায়তা করে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ টিম।

নোবেল জয়ের ঘোষণা আসার এক ঘণ্টা পর ডাইসেরথ বলেন, ‘আজ রাতে আর একদমই ঘুমানো হলো না।

বাড়ির বাইরে হ্যালোইনের সাজসজ্জা ঝুলছিল, আর ভেতরে কেবল একটিমাত্র আলো জ্বলছিল।

নোবেল ঘোষণার পর থেকে একের পর এক অভিনন্দনবার্তা আসতে থাকে ক্যালিফোর্নিয়ার এই বিজ্ঞানীর কাছে।

’ ফোন আর জুম অ্যাপের মাধ্যমে সাংবাদিকেরা যখন তাঁর সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন, তখন এক ফটোগ্রাফার ও ভিডিওগ্রাফার দ্রুত তাঁর বাড়ির দিকে রওনা হন।

রাত সাড়ে তিনটার দিকে স্ট্যানফোর্ডের সেই বাড়িতে পৌঁছে ফটোগ্রাফার কিছুটা ঘাবড়ে যান।

ভুল জায়গায় এলেন কি না, এই ভেবে তিনি দরজায় কড়া নাড়বেন কি না ভাবছিলেন।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।