জাতীয়নিশ্চিত

বালু দিয়ে নদী ভরাট: প্রাণ-আরএফএলের দুই ব্যবস্থাপকসহ ৪ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
বালু দিয়ে নদী ভরাট: প্রাণ-আরএফএলের দুই ব্যবস্থাপকসহ ৪ জনের কারাদণ্ড
এক নজরে
  • বালু দিয়ে নদী ভরাটের অভিযোগে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ম্যানেজার (অ্যাডমিন) মো. ফয়সাল মাহমুদ
  • একই সঙ্গে বালু বহনের কাজে ব্যবহৃত সোহা মেসার্স মদিনার মালিক মুক্তার হোসেন

আদালত জানা গেছে, কারাদণ্ডের পাশাপাশি ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৩০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বালু দিয়ে নদী ভরাটের দায়ে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ব্যবস্থাপক (অ্যাডমিন) মো. ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে তিন বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

এরই ধারাবাহিকতায় টঙ্গী নদীবন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন খিলক্ষেত থানার পাতিরা মৌজায় ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর বালু নদী পরিদর্শনে যান পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিআইডব্লিউটিএ।

একই সঙ্গে বালু বহনের কাজ করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সোহা মেসার্স মদিনার পথের মালিক মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ঢাকার চারপাশে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী দখল, দূষণ ও মৃতপ্রায় নদীগুলোকে রক্ষায় হাইকোর্টের নির্দেশনার আলোকে বেশ কয়েকবার বালু নদীতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

মামলার বিচার চলাকালে ৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক সোহরাব হোসেন ২০২২ সালের ৩১ মে চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ রায় ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় গাজীপুরের টঙ্গী নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম খিলক্ষেত থানায় মামলাটি করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি

2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।