নদীভাঙন রোধে বারবার ব্যয় নয়, টেকসই পরিকল্পনার পরামর্শ সংসদীয় কমিটির

- নদীভাঙন রোধে প্রতিবছর একই ধরনের কাজ করে অর্থ ব্যয়ের বদলে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নদী ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কমিটি
- কমিটি বলেছে, নদীভাঙন রোধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তা টেকসই হচ্ছে না
- বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নদীভাঙন রোধে স্বল্পমেয়াদি ও পুনরাবৃত্তিমূলক ব্যয়ের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নদী ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে কমিটি
৩ হাজার ৯৮১ কিলোমিটার নদী পুনঃখনন, ১ হাজার ৬৩০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং এবং ১ হাজার ৭৬৮ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণের কাজ বাস্তবায়ন করেছে।
৪০টি ইউনিয়নের ৮৮৪টি মৌজা ‘উচ্চ’ এবং ৬৬টি ইউনিয়নের ১ হাজার ২৪০টি মৌজায় ‘মধ্যম’ পানি সংকট রয়েছে।
এতে বলা হয়, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ—এই তিন জেলার মোট ১৫৩টি ইউনিয়নের ৩ হাজার ৫৯৩টি মৌজাকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বন্যা ব্যবস্থাপনা ও নদী সুরক্ষায় পাউবো এখন পর্যন্ত ১৬ হাজার ৬৬৮ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করেছে।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) এ বিষয়ে গুরুত্ব দিতে বলা হয়।
প্রয়োজনে চীন ও নেদারল্যান্ডসে কীভাবে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়, সে অভিজ্ঞতা নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে উত্তরাঞ্চলের তিন জেলার পানিসংকট নিয়ে ওয়ারপোর একটি গবেষণাধর্মী প্রতিবেদনও তুলে ধরা হয়।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





