ইতিহাসনিশ্চিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: কোটা আন্দোলন থেকে সরকার পতন

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: কোটা আন্দোলন থেকে সরকার পতন — যাচাইডেস্ক
এক নজরে
  • জুলাই ২০২৪ — হাইকোর্টের রায়ে সরকারি চাকরিতে কোটার পুনর্বহাল নিয়ে শিক্ষার্থীরা সরব হন
  • আন্দোলন ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে; ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন
  • সেনাবাহিনী প্রধান দায়িত্ব নেন; জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়
  • ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হন নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস

২০২৪ সালের জুলাই মাসে হাইকোর্টের সাংবিধানিক রায়ের আলোকে সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহাল নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নামলে এক পর্যায়ে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঢাকাসহ সারাদেশ।

আন্দোলন বিশ্বাস ও সহিংসতা

শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ দ্রুত বিস্তৃত হয়; এ সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্কও টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। ১৬ জুলাইয়ের পর থেকে ঘটনাটি ‘সম্পূর্ণ শাটডাউন’-এর রূপ নেয় এবং সংঘর্ষে একাধিক শিক্ষার্থী নিহত হলে আন্দোলন আরও বেগবান হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রকাশ করে যে জুলাই-আগস্টের এই সংঘাতে অন্তত ৬৫০ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যদিও সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন হিসাব আছে।

পরিবর্তনের ঢেউ

সর্বশেষে ৫ আগস্ট ২০২৪ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে চলে যান। পরদিন সেনাবাহিনী প্রধান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দেন; জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। জুলাই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে স্মরণীয় মোড়।

সংঘাতের সময়কালে কয়েক দিন ইন্টারনেট ও মোবাইল ব্রডব্যান্ডও স্থগিত থাকে এবং রাজধানীসহ কয়েকটি জেলায় কারফিউ জারি হয়— যা আন্দোলনের বিস্তারকে আরও বাড়িয়ে তোলে। সেনাবাহিনী শান্তি বজায় রাখতে জনগণের পাশে দাঁড়ায় বলে সেদিনকার ঘোষণায় বলা হয়।

প্রশ্নোত্তর

কোটা আন্দোলনের দাবি কী ছিল?

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের কোটার পুনর্বহাল বাতিলের দাবি ছিল আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু।

নিহতের সংখ্যা কত?

বিতর্কিত এই হিসাব; জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ২০২৪ সালের অক্টোবরে জানায় জুলাই-আগস্টের সংঘর্ষে অন্তত ৬৫০ জন নিহত হয়েছেন।

প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি

3টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।