
হলি আর্টিসান হামলা: সেদিন রাতে কী ঘটেছিল, বিচারের কী হলো
২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিসানে হামলায় ২০ জন নিহত হন; ২০১৯ সালে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড হলেও ২০২৩ সালে তা যাবজ্জীবন হয়।
Holey Artisan cafe attack (Gulshan)
শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যাচাইডেস্কে প্রকাশিত সব প্রতিবেদনের কালানুক্রম। ঘটনাটি 2016 সালের।
এই ক্ষুদ্র-কালানুক্রম সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন-ভিত্তিক তৈরি; প্রতিটি খণ্ড তারিখ ও সূত্রসহ যাচাই করা। এই সংরক্ষণাগার শুধু ঘটনাপঞ্জিতে থাকে — মূল সাইটের খবরের তালিকায় এগুলো আসে না।
২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিসানে হামলায় ২০ জন নিহত হন; ২০১৯ সালে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড হলেও ২০২৩ সালে তা যাবজ্জীবন হয়।
সূত্র: The Daily Star
হামলার নবম বার্ষিকীতে দণ্ডপ্রাপ্ত সাতজনের মধ্যে ছয়জন আপিল বিভাগে লিভ টু অ্যাপিল আবেদন করেছেন; তাদের মধ্যে আসলাম হোসেন রাশ ২০২৪ সালের কারাগারে মারা যান। রেস্তোরাঁটি আর খোলেনি — জায়গাটি পরে আবাসিক ভবনে রূপান্তরিত হয়।
সূত্র: Prothom Alo English
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়; রায়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, ফরেনসিক, ব্যালিস্টিক ও ডিএনএ প্রমাণের ভিত্তিতে এটিকে নব্য-জেএমবির হামলা বলে সিদ্ধান্ত হয় এবং পাঁচ সরাসরি হামলাকারীর কথাও উল্লেখ থাকে।
সূত্র: Prothom Alo English
শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরদিন কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের গণবিদ্রোহে দণ্ডপ্রাপ্ত আটজন আসামির একজন (আসলাম হোসেন ওরফে রাশ) কারারক্ষীর গুলিতে নিহত হন; ওই ঘটনায় ২০৯ কয়েদি পালিয়ে যায়।
সূত্র: Prothom Alo English
মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন ও আপিল শুনানি শেষে হাইকোর্টের বেঞ্চ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে মৃত্যুপর্যন্ত কারাদণ্ডে রূপান্তর করে; নিম্ন আদালত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি উপ-ধারা না বুঝে ভুল করেছে বলে সরকারপক্ষ জানায়।
সূত্র: Prothom Alo English
ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত সাত নব্য-জেএমবি সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে খালাস দেয়; রায়ে একে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র হত্যার চেষ্টা বলে আখ্যা দেওয়া হয়।
সূত্র: The Daily Star
২০১৮ সালের ডিসেম্বরে হামলার পরিকল্পনা ও অস্ত্র সরবরাহে সহায়তার অভিযোগে নব্য-জেএমবির আট সদস্যের বিচার ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনালে শুরু হয়।
সূত্র: Wikipedia
পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবির তদন্ত শেষে ১ জুলাই গুলশান থানায় মামলার চার্জশিট দাখিল করেন; আসামিরা নব্য-জেএমবির সদস্য, যাদের ওপর হামলা পরিকল্পনা, অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ।
সূত্র: Prothom Alo English
২০১৭ সালের জানুয়ারিতে জেএমবির স্প্লিন্টার কমান্ডার নূরুল ইসলাম মার্জানের মৃত্যুসহ হামলার সঙ্গে যুক্তদের ধারাবাহিকভাবে নির্মূল করা হয়; ১৩ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইলে হামলার গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনাকারী জাহাঙ্গীর আলম গ্রেপ্তার হন।
সূত্র: Wikipedia
হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বলে ধারণা করা তামিম চৌধুরী ঢাকায় আইএস ঘাঁটিতে অভিযানে নিহত হন। এরপর ২ সেপ্টেম্বর তার ডেপুটি মুরাদ ঢাকার রূপনগর এলাকার আরেক অভিযানে নিহত হন।
সূত্র: Wikipedia
আরেক বড় হামলার পরিকল্পনাকারী বলে বিশ্বাস করা ১০ সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে কল্যাণপুরে একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ; গুলিবিনিময়ে নয়জন নিহত ও একজন গ্রেপ্তার হয়।
সূত্র: Wikipedia
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় হামলাকারীরা যে ফ্ল্যাটে অবস্থান করেছিল তা ভাড়া দেয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় — তাদের একজন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিন আহসান। ফ্ল্যাট থেকে গ্রেনেড বহনে ব্যবহৃত বালুভর্তি কার্টন ও কাপড় উদ্ধার হয়।
সূত্র: Wikipedia
হামলায় আহত রেস্তোরাঁর একজন কর্মচারী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান; ফলে হামলার মোট প্রাণহানি বাড়ে।
সূত্র: Wikipedia
সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে সেনাবাহিনীর প্যারা-কমান্ডো অভিযানে ৫ সন্ত্রাসী নিহত ও একজন ধরা পড়ে; ১৩ জিম্মি উদ্ধার হয়। শেষ পর্যন্ত ২০ জিম্মি নিহত — এর মধ্যে ৯ ইতালীয়, ৭ জাপানি, ১ ভারতীয় ও ৩ বাংলাদেশি নাগরিকসহ কয়েকজন দ্বৈত নাগরিক। কোরআনের আয়াত পাঠে সন্ত্রাসীরা কাউকে রেহাই দেয়ার কথাও প্রকাশ পায়। অভিযানের এক রাঁধুনি ভুলবশত নিহত হন।
সূত্র: Prothom Alo English
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ২০ জন জিম্মি নিহত হন; নিহতের মধ্যে দুজন পুলিশ কর্মকর্তাও ছিলেন। সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৩ জন জিম্মি জীবিত উদ্ধার হয়।
রাত ৯টার দিকে গুলশানের কূটনৈতিক এলাকার হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁয় পাঁচ সন্ত্রাসী অস্ত্র, ছুরি ও গ্রেনেড নিয়ে ঢুকে জিম্মি করতে শুরু করে; পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে দুই পুলিশ কর্মকর্তা (ডিবির সহকারী কমিশনার রাবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ওসি সালাউদ্দিন আহমেদ) নিহত হন। জিম্মিদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকই অধিকাংশ।
সূত্র: The Daily Star
১৯৭৯ সালের ৪ নভেম্বর ইরানের বিপ্লব সমর্থক ছাত্ররা তেহরানে মার্কিন দূতাবাস দখল করে ৫২ আমেরিকানকে জিম্মি করে।। ১৯৮১ সালের ২০ জানুয়ারি আলজিয়ার্স চুক্তির পর জিম্মিরা মুক্তি পান; তাঁরা ৪৪৪ দিন বন্দি ছিলেন
আমাদের 4টি প্রতিবেদন এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত — কালানুক্রমে সাজানো।

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিসানে হামলায় ২০ জন নিহত হন; ২০১৯ সালে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড হলেও ২০২৩ সালে তা যাবজ্জীবন হয়।

২০১৬ সালের ১ জুলাই ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলা হয়।। জিম্মি পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৮ জন বিদেশি ও বাংলাদেশি নাগরিকসহ মোট ২০ জন নিহত হন— বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ২০ জন জিম্মি নিহত হন; নিহতের মধ্যে দুজন পুলিশ কর্মকর্তাও ছিলেন। সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৩ জন জিম্মি জীবিত উদ্ধার হয়।

১৯৭৯ সালের ৪ নভেম্বর ইরানের বিপ্লব সমর্থক ছাত্ররা তেহরানে মার্কিন দূতাবাস দখল করে ৫২ আমেরিকানকে জিম্মি করে।। ১৯৮১ সালের ২০ জানুয়ারি আলজিয়ার্স চুক্তির পর জিম্মিরা মুক্তি পান; তাঁরা ৪৪৪ দিন বন্দি ছিলেন