
ঘূর্ণিঝড় আম্পান ২০২০: মহামারির মধ্যে সুন্দরবন ও ২৬ জেলায় আঘাত
২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পান ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে উপকূলে আঘাত হানে। ২৬ জনের মৃত্যু হয়; শেল্টারে স্থানান্তর ২৪ লাখের বেশি মানুষ।
Cyclone Roanu 2016
শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যাচাইডেস্কে প্রকাশিত সব প্রতিবেদনের কালানুক্রম। ঘটনাটি 2016 সালের।
এই ক্ষুদ্র-কালানুক্রম সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন-ভিত্তিক তৈরি; প্রতিটি খণ্ড তারিখ ও সূত্রসহ যাচাই করা। এই সংরক্ষণাগার শুধু ঘটনাপঞ্জিতে থাকে — মূল সাইটের খবরের তালিকায় এগুলো আসে না।
২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পান ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে উপকূলে আঘাত হানে। ২৬ জনের মৃত্যু হয়; শেল্টারে স্থানান্তর ২৪ লাখের বেশি মানুষ।
সূত্র: IFRC — Bangladesh: Cyclone Amphan final report (ReliefWeb, 2021)
২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর রাতে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপ হয়ে সুন্দরবন এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ৯ জেলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়।
সূত্র: The Daily Star — 26 die as Bulbul batters coasts (2019)
২০১৬ সালের ২১ মে দুপুরে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু বরিশাল-চট্টগ্রামের উপকূলে আঘাত হানে। ২৪ জনের মৃত্যু হয়; ৫ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়।
সূত্র: BBC News — Cyclone Roanu: Half a million flee in Bangladesh (2016)
২০১৩ সালের ১৬ মে ঘূর্ণিঝড় মহাসেন পটুয়াখালী উপকূলে আঘাত হানে' পশ্চিম-মধ্য উপকূলের ১০ জেলায় ১২,৮৫,৫০৮ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন; কমপক্ষে ১৩ জন প্রাণ হারান।
সূত্র: IFRC — Bangladesh Cyclone Mahasen DREF final report (ReliefWeb)
২০০৯ সালের ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় আইলা বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে।। বাঁধ ভেঙে লবণাক্ত পানি ঢোকে মানুষজন; বাংলাদেশে ১৯০ ও ভারতে ১৩৮ জনের প্রাণহানিসহ দুই দেশে ৩২৮ জন নিহত হন
২০০৮ সালের ২ মে ঘূর্ণিঝড় নার্গিস মিয়ানমারের উপকূলে আঘাত হানে।। সরকারি হিসাবে নিহত ও নিখোঁজের সংখ্যা ১ লাখ ৩৮ হাজার ছাড়িয়ে যায়; ইরাবতী বদ্বীপই ছিল সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত
সূত্র: ReliefWeb — Number of dead and missing in Myanmar cyclone raised to 138,000 (2008)
২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর রাতে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় সিডরে সরকারি হিসাবে ৩,৪৪৭ জন নিহত হন। ২৮টি জেলায় ৪০ লক্ষের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সূত্র: Wikipedia — Cyclone Sidr
১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের উপকূলে আঘাত হানা ভোলা ঘূর্ণিঝড়ের জলোচ্ছ্বাসে ৩০ থেকে ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়; এটি রেকর্ডকৃত ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড়
আমাদের 8টি প্রতিবেদন এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত — কালানুক্রমে সাজানো।

২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পান ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে উপকূলে আঘাত হানে। ২৬ জনের মৃত্যু হয়; শেল্টারে স্থানান্তর ২৪ লাখের বেশি মানুষ।

২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর রাতে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপ হয়ে সুন্দরবন এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ৯ জেলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়।

২০১৬ সালের ২১ মে দুপুরে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু বরিশাল-চট্টগ্রামের উপকূলে আঘাত হানে। ২৪ জনের মৃত্যু হয়; ৫ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়।

২০১৩ সালের ১৬ মে ঘূর্ণিঝড় মহাসেন পটুয়াখালী উপকূলে আঘাত হানে' পশ্চিম-মধ্য উপকূলের ১০ জেলায় ১২,৮৫,৫০৮ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন; কমপক্ষে ১৩ জন প্রাণ হারান।

২০০৯ সালের ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় আইলা বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে।। বাঁধ ভেঙে লবণাক্ত পানি ঢোকে মানুষজন; বাংলাদেশে ১৯০ ও ভারতে ১৩৮ জনের প্রাণহানিসহ দুই দেশে ৩২৮ জন নিহত হন

২০০৮ সালের ২ মে ঘূর্ণিঝড় নার্গিস মিয়ানমারের উপকূলে আঘাত হানে।। সরকারি হিসাবে নিহত ও নিখোঁজের সংখ্যা ১ লাখ ৩৮ হাজার ছাড়িয়ে যায়; ইরাবতী বদ্বীপই ছিল সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর রাতে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় সিডরে সরকারি হিসাবে ৩,৪৪৭ জন নিহত হন। ২৮টি জেলায় ৪০ লক্ষের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের উপকূলে আঘাত হানা ভোলা ঘূর্ণিঝড়ের জলোচ্ছ্বাসে ৩০ থেকে ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়; এটি রেকর্ডকৃত ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড়