৮ বছর পর জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে দলে ৪০ বছর বয়সী ক্রেমার

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে শেষ ম্যাচে নেমেছে; সেই একাদশে ৮ বছর পর জায়গা করে নিয়েছেন ৪০ বছর বয়সী লেগ স্পিনার গ্রায়েম ক্রেমার।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছে জিম্বাবুয়ে; ম্যাচের একাদশে জায়গা পেয়েছেন ক্রেমার। দীর্ঘ ৮ বছর পর জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে দলে ফিরলেন তিনি; বয়স ৪০ হলেও দলে তার অন্তর্ভুক্তি ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ইতোমধ্যে হেরে বসেছে জিম্বাবুয়ে; তাই আগের দুই ম্যাচের হারে চাপ নিয়ে শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে নেমেছে স্বাগতিকরা। সেই ম্যাচেই দীর্ঘ ৮ বছর পর ওয়ানডে একাদশে ফিরেছেন ক্রেমার।
বয়সের বিচারে তাকে অনেকে ‘সিনিয়র’ হিসেবেই দেখছেন; তবুও একাদশে সুযোগ পাওয়া তার ধারাবাহিকতা ও সামর্থ্যের পরিচয় বহন করে। ৮ বছরের বিরতি ভেঙে ওয়ানডে মঞ্চে ফেরাও ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় হিসেবে গণ্য হবে। সিরিজের আগের ম্যাচগুলোর ফল যাই হোক, শেষ লড়াইটির জন্য তিনি দলের অস্ত্র হিসেবে দেখা যাচ্ছেন। ৪০ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফেরার এই মুহূর্ত ক্রেমারের জন্য যেমন আবেগঘন, তেমনি দলের জন্যও নতুন প্রেরণা; অভিজ্ঞতার এই সম্পদ দলকে চাপ কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করতে পারে।
সিরিজের ফল নিয়ে জিম্বাবুয়ের দলীয় ক্যাম্পে চাপ থাকলেও ক্রেমারের প্রত্যাবর্তনকে দল ও সমর্থকদের কাছে ইতিবাচক মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। হোয়াইটওয়াশ এড়াতে স্বাগতিকদের লড়াইয়ে এই অভিজ্ঞ লেগ স্পিনারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে। দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে ফেরা কোনো সহজ অর্জন নয়; এমন প্রত্যাবর্তনই তরুণ প্রজন্মের স্পিনারদের কাছে অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে থাকবে। ম্যাচ শেষে তার কিংবদন্তি ক্যারিয়ারের এই অধ্যায় ক্রিকেটপ্রেমীদের দীর্ঘ আলোচনার বিষয় হয়ে থাকবে।
প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি
2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।
- ইত্তেফাক-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ দৈনিক ইত্তেফাক
- samakal-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ সমকাল





