ডিজিটাল ব্যাংক গ্রাহকদের কীভাবে সেবা দেবে

- দেশে নতুন করে চারটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক
- ফলে ডিজিটাল ব্যাংক ধারণাটি নতুন করে সামনে এসেছে
- ডিজিটাল ব্যাংক চালু হলে কী করবে বা কী সেবা দেবে, সে নিয়েও কৌতূহল রয়েছে
একেকটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য ন্যূনতম মূলধন লাগবে ৩০০ কোটি টাকা।
কারণ, এখনকার ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবার অ্যাপসগুলো প্রায় সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা ডিজিটাল হয়ে গেছে
গ্রাহকদের ব্যাংকে যাওয়া কমে এসেছে
অনেক ব্যাংক শাখা সম্প্রসারণের পরিবর্তে এখন সংকুচিত করার পরিকল্পনা করছে
পাশাপাশি শাখার আয়তন কমিয়ে আনতে চাইছে
বাংলাদেশ ডিজিটাল ব্যাংক কী করবে, নীতিমালাতেই জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক
গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চারটি ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়
ব্যাংকগুলো হলো ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, যার উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক; বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, যার উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরা; নোভা ডিজিটাল ব্যাংক, যার উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ এবং বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক, যার উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড
পাশাপাশি আগেই প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে
কেমন হবে ডিজিটাল ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংক হবে এমন একটি ব্যাংক, যার নিজস্ব কোনো শাখা, উপশাখা, এটিএম বা সিডিএম (নগদ জমা মেশিন) থাকবে না
এর সব সেবা মিলবে শুধু ডিজিটাল মাধ্যমে, যেমন ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ
গ্রাহকদের সুবিধার জন্য ভার্চ্যুয়াল কার্ড ও কিউআর কোডের মতো প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য ব্যবহারের সুযোগ থাকবে
লেনদেনের জন্য গ্রাহকেরা অন্য ব্যাংকের এটিএম বা এজেন্ট সেবা ব্যবহার করতে পারবেন
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





