ব্রিটস্কির সেঞ্চুরি ও মহারাজের স্পিনে এগিয়ে গেল দ. আফ্রিকা

- দুটি ছক্কা ও ১৪টি চারে ১১২ রানের ইনিংসটি সাজান
- বাভুমাকে (৪টি চারে ৩০) কট বিহাইন্ড করে ৫৪ রানের জুটি ভাঙেন অ্যাডাম জ্যাম্পা
- চারটি ছক্কা ও সাতটি চারে ৫৯ বলে ৭৫ রান করেন ইয়ানসেন
টেম্বা বাভুমার সঙ্গে ৫৪, রায়ান রিকেলটনের সঙ্গে ৪২, ডেভিড মিলারের সঙ্গে ৪৩ ও মার্কো ইয়ানসেনের সঙ্গে ১০৭ রানের জুটি গড়েন তিনি।
ব্রিটস্কি ও ইয়ানসেনের সৌজন্যে ৮ উইকেটে ২৯৭ রান করে প্রোটিয়ারা।
সাতে নেমে খেলেন চারটি ছক্কা ও সাতটি চারে ৫৯ বলে ৭৫ রানের ইনিংস।
প্রথম সেঞ্চুরির পরের চার ইনিংসে ফিফটি স্পর্শ করেন তিনি, যেখানে তিনটি আবার ৮০ ছোঁয়া ইনিংস।
২৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ম্যাট রেনশকে চার মেরে ফিফটিতে পা রাখেন ব্রিটস্কি, ৫০ বলে।
চার মেরে রানের খাতা খোলা ডানহাতি ব্যাটসম্যান ৫০ বলে স্পর্শ করেন ফিফটি।
ডারবানে বৃহস্পতিবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১১২ রান করেন ব্রিটস্কি।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এদিন সপ্তম ওভারে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে যান ব্রিটস্কি।
মিচেল স্টার্কের বলে সিঙ্গল নিয়ে ৪৫তম ওভারে কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন তিনি।
২৯ রানে দুই উইকেট হারানোর ধাক্কা স্বাগতিকরা সামাল দেয় টেম্বা বাভুমা ও ব্রিটস্কির ব্যাটে।
শেষ বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে রান তাড়ায় দলকে টানছিলেন ম্যাট রেনশ।
ডিপ মিডউইকেট থেকে ডানদিকে অনেকটা দৌড়ে এসে এক হাতের চোখধাঁধানো ক্যাচে রেনশকে ফিরিয়ে দিলেন তিনি।
জিম্বাবুয়ে সফরে সেঞ্চুরি করা রেনশ যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, অস্ট্রেলিয়ার আশার প্রদীপও জ্বলছিল।
চতুর্থ ওভারে টনি ডি জর্জিকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন জশ হেইজেলউড।
আক্রমণে এসে প্রথম বলেই কুইন্টন ডি কককে কট বিহাইন্ড করেন ন্যাথান এলিস।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- বিডি নিউজ২৪-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ বিডিনিউজ২৪





