জাতীয়একক/আংশিক

এলপিজি সংকট, বেড়েছে দামও, কী কারণ

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
এলপিজি সংকট, বেড়েছে দামও, কী কারণ
এক নজরে
  • এলপিজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, যাঁদের এলপিজি আমদানির চুক্তি আছে, তাঁরাও ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ সরবরাহ কম পাচ্ছেন
  • মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে এবার শুরু হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সংকট
  • এলপিজি অপারেটরদের সংগঠন লোয়াবের সভাপতি আমিরুল হক কে বলেন, সরকার নিজেই তো এলপিজি আনতে পারছে না

এ মাসের জন্য বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয় ২ সেপ্টেম্বর।

মোহাম্মদপুরে হাউজিং লিমিটেডের বাসিন্দা তামান্না আখতার কে বলেন, এক সপ্তাহ আগে পাশের বাসায় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার কিনেছে ১ হাজার ৭৫০ টাকায়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, গত আগস্টে এলপিজি আমদানি হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার টন।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বলছে, দেশে এলপিজি ব্যবসার লাইসেন্স নিয়েছে ৫২টি কোম্পানি।

গত ২০ জানুয়ারি তিন শর্তে বিপিসিকে এলপিজি আমদানির অনুমোদন দিয়েছিল জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

এলপিজি অপারেটরদের সংগঠন লোয়াবের সদস্যরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগর বন্ধ থাকায় সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।

এলপিজি বাজারের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি মেঘনা ফ্রেশ এলপি গ্যাসের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আবু সাঈদ রাজা কে বলেন, বেশি দামে হলেও আমদানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে মেঘনা গ্রুপ।

আমদানি করা এলপিজি দেওয়া হবে অনুমোদিত বেসরকারি অপারেটরদের।

গত ডিসেম্বরের তীব্র সংকটে দেশের কোনো কোনো এলাকায় ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার তিন হাজার টাকায়ও বিক্রি হয়।

বিইআরসি ১৬০ ডলার আমদানি দর ধরে এলপিজির দাম সমন্বয় করেছিল।

দেশে আবাসিকে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয় ২০১৫ সালে।

বাজারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর গত এপ্রিলে দেশের ইতিহাসেও সর্বোচ্চ দাম বাড়ে এলপিজির।

বাড়তি দাম ঠেকাতে ভোক্তা অধিকারের অভিযানের ভয়ে খুচরা বিক্রেতাদের কেউ কেউ দোকান বন্ধ করে

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।

আরও পড়ুন