মায়ের জমানো টাকায় চিকিৎসা, পাওনা ৫০ লাখ টাকা নিয়ে ক্ষোভ ‘মেঘদল’ ব্যান্ড সদস্যের

- এদিকে দীর্ঘদিনের বকেয়া পারিশ্রমিক না পাওয়ায় আর্থিক সংকটে পড়ে মায়ের জমানো সঞ্চয়পত্র ভেঙে নিজের চিকিৎসার খরচ চালাতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী
- শোয়েব জানান, বর্তমানে ডেঙ্গু, উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিসসহ নানা শারীরিক জটিলতায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন
- পরিচালকদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং কাজের প্রতি ভালোবাসার কারণে বছরের পর বছর অনাদায়ি পারিশ্রমিকের হিসাব জমতে থাকে
বিভিন্ন কাজে স্বীকৃতি পেলেও পারিশ্রমিক আদায়ে বছরের পর বছর সমস্যায় পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এই সংগীতশিল্পী।
এদিকে দীর্ঘদিনের বকেয়া পারিশ্রমিক না পাওয়ায় আর্থিক সংকটে পড়ে মায়ের জমানো সঞ্চয়পত্র ভেঙে নিজের চিকিৎসার খরচ চালাতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী।
শোয়েব জানান, বর্তমানে ডেঙ্গু, উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিসসহ নানা শারীরিক জটিলতায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
পরিচালকদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং কাজের প্রতি ভালোবাসার কারণে বছরের পর বছর অনাদায়ি পারিশ্রমিকের হিসাব জমতে থাকে।
গতকাল মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আজ সাত দিন ধরে আমি হাসপাতালে ভর্তি।
ছোট একটি স্টুডিওতে কাজ করার সময় আন্তরিকতা ও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার কারণে ধীরে ধীরে কাজের পরিমাণ বাড়তে থাকে।
বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রে দক্ষতার পাশাপাশি চলচ্চিত্রের সংগীতেও কাজ করেছেন রাশিদ শরীফ শোয়েব।
‘হাওয়া’, ‘স্বপ্নজাল’ ও ‘রইদ’-এর মতো আলোচিত সিনেমায় সংগীত করেছেন তিনি।
দীর্ঘ সময় ধরে বিজ্ঞাপনচিত্রসহ বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।
’ . এরপরই নিজের পেশাজীবনের অভিজ্ঞতা ও পাওনা পারিশ্রমিকের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন শোয়েব।
টেলিভিশন বিজ্ঞাপনচিত্র, অনলাইন বিজ্ঞাপনচিত্র, ওয়েব সিরিজ এমনকি সিনেমার কাজও তাঁর ঝুলিতে জমা হতে থাকে।
নিজের ফেসবুক পোস্টে শোয়েব লিখেছেন, ‘আমি কাজের আনন্দে কাজ করে যাই আর আমার পরিচালক বন্ধুদের সঙ্গে
প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি
2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো
- বাংলাদ্রিবিউন-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ বাংলা ট্রিবিউন





