৪৫ বছর পর নিউইয়র্কের মেয়রের বাড়িতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট, মামদানির সঙ্গে ট্রাম্পের কী কথা হলো

- নদীতীরবর্তী ঐতিহাসিক এ বাসভবনে ৪৫ বছর আগে সর্বশেষ কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট পা রেখেছিলেন
- ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট মামদানি সম্পর্কে ট্রাম্পের এ উষ্ণ মন্তব্য অনেকের কাছেই অস্বাভাবিক শোনাবে
কারণ, নভেম্বরের মধ্যবর্তী মার্কিন প্রসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্প ও তাঁর রিপাবলিকান মিত্ররা কয়েক মাস ধরে মামদানিকে ডেমোক্রেটিক পার্টির ‘কমিউনিজম’ গ্রহণের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরছেন।
এ ভাষণের আগে তাঁর গ্রেসি ম্যানশনে যাওয়া নিউইয়র্কের ৩৪ বছর বয়সী প্রথম মুসলিম মেয়র মামদানির প্রতি ট্রাম্পের আপাত সম্মানেরই বহিঃপ্রকাশ।
ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মামদানি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্টকে বলেছি, এখানে লনে সংবাদমাধ্যমের সব সদস্যকে আমরা উপস্থিত রাখব।
’ ট্রাম্প এ সময় লনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক সাংবাদিকের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘বিষয়টি বেশ মজার।
কেন তিনি ট্রাম্পকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, জানতে চাইলে মামদানি বলেন, নিউইয়র্কবাসীর জন্য ‘কিছু করতে পারেন’ এমন যে কারও সঙ্গে তিনি কাজ করতে প্রস্তুত।
কুইন্সের সানিসাইড ইয়ার্ডে শত শত নতুন আবাসন ইউনিট নির্মাণের বিষয়ে তাঁদের দুজনেরই আগ্রহ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল সোমবার বলেছেন, তিনি আশা করেন, জোহরান মামদানি নিউইয়র্কের ‘দারুণ মেয়র’ হবেন।
মামদানি বলেন, তাঁদের মধ্যে ‘বিস্তৃত পরিসরে’ আলোচনা হয়েছে।
গ্রেসি ম্যানশনে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প ও মামদানির আচরণকে বন্ধুত্বপূর্ণ বলেই মনে হয়েছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





