সিএনএনসহ তিন গণমাধ্যমের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে ‘ট্রাম্প টিভি’ চালু করল হোয়াইট হাউস

মার্কিন হোয়াইট হাউস গণমাধ্যমের সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যেই ‘ট্রাম্প টিভি’ নামে একটি চ্যানেল চালু করেছে। স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় চ্যানেলটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরাসরি সম্প্রচার শুরু করে। একই সময়ে হোয়াইট হাউসে সিএনএন-সহ তিনটি গণমাধ্যমের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সিএনএনসহ তিন গণমাধ্যমের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি নিজস্ব চ্যানেল চালুর মাধ্যমে হোয়াইট হাউস সরাসরি নিজেদের বার্তা প্রচারের পথ অফিসিয়ালভাবে নিশ্চিত করে নিল। চ্যানেলটির সম্প্রচার শুরু হয় গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটায়। ‘ট্রাম্প টিভি’ চালুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে; তারা এ ঘটনাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে দেখা হয়েছে বলে বোঝায়।
তবে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ নিষিদ্ধ হওয়া তিনটি গণমাধ্যমের মধ্যে সিএনএন-এর নাম প্রকাশ্যে এলেও বাকি দুটি মাধ্যমের পরিচয় শিরোনামে বলা হয়নি। একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যখন নিজদেশের প্রধান সংবাদমাধ্যমের প্রবেশ নিষেধ করে নিজস্ব সম্প্রচার মাধ্যম চালু করে, তখন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও তথ্যের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে; তবে প্রকাশিত সংবাদগুলোতে এ নিয়ে সরকারি কোনো প্রতিক্রিয়া বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতির উল্লেখ নেই।
নতুন এই চ্যানেলের সম্প্রচার কীভাবে গ্রহণ করল দর্শক ও মিডিয়া বিশ্লেষকরা, তা পরবর্তী সময়ে জানা যাবে। আপাতত ‘ট্রাম্প টিভি’র প্রথম দিনের সম্প্রচার শুরু হওয়ার ঘটনা এবং তিন গণমাধ্যমের প্রবেশ নিষেধ দুটি বিষয়ই দুই বাংলা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে নিশ্চিত হয়েছে। চ্যানেলটির কারিগরি বিস্তারিত, কর্মী সংখ্যা বা বাজেট নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।
এভাবেই হোয়াইট হাউস একদিকে যখন বড় বড় গণমাধ্যমের প্রবেশ সীমিত করছে, অন্যদিকে তারা নিজস্ব চ্যানেলের মাধ্যমে দর্শকের কাছে নিজেরা-ই খবর পৌঁছে দেওয়ার পথ বেছে নিচ্ছে—এ বিষয়েই দুই সংবাদমাধ্যম মূল দৃষ্টি দিয়েছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি
2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।
- বিডি২৪লাইভ-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ bd24live
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





