গ্যাসের সিলিন্ডার বোঝাই গাড়িতে বিস্ফোরণ, নিহত ৭ আহত ১৫

- সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে কারখানার বাউন্ডারির ভেতরে থেমে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি লরিতে বিস্ফোরণ ঘটে
সাভারের আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানার সামনে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি লরিতে বিস্ফোরণের পর আগুনে জয়নব বেগম (৫৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন।
এছাড়া বিস্ফোরণের সময় একটি গ্যাসের সিলিন্ডার ছিটকে পোশাক কারখানার পাশের দর্জির দোকানে গিয়ে পড়লে জয়নব বেগম নামে এক নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান।
শিল্প পুলিশ- ১ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম জানান, কারখানার গেটের সামনে থেকে এক নারীর মরদেহ এবং একটি লরি থেকে ৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়া গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় নজরুল ইসলাম নামে একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলে সেখানে তিনি মারা যান।
রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তা এলাকার এফ অ্যান্ড এফ পোশাক কারখানার বাউন্ডারির ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৫টার দিকে এফ অ্যান্ড এফ পোশাক কারখানায় ছুটি হলে শ্রমিকরা কারখানা থেকে বের হয়ে বাসায় চলে যান।
আশুলিয়া ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর সোমেন বড়ুয়া বলেন, সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে তাঁদের স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের খবর আসে।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনায় মোট সাতজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান ও আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম।
সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে পোশাক কারখানা বাউন্ডারির ভেতরে থেমে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি লরিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
পোশাক কারখানার শ্রমিকসহ আশেপাশের লোকজনের ছোটাছুটি করতে থাকেন।
বিস্ফোরণের সময় সিলিন্ডারের লোহার টুকরা ছিটকে এসে পাশের একটি দর্জির দোকানে থাকা ওই নারীর মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
এ সময় পোশাক কারখানার শ্রমিকসহ আশপাশের লোকজন দিকবিদিক ছুটতে থাকেন।
লরি থেকে উদ্ধার হওয়া নিহত পাঁচজনের শরীর পুরো ঝলসে যাওয়ার তাদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পুড়ে যাওয়া যানবাহনগুলোতে তল্লাশি করে।
এ সময় বিস্ফোরিত গ্যাস সিলিন্ডারের লোহার টুকরোগুলো কারখানার পাশের একটি দর্জি দোকানে থাকা জয়নব বেগমের মাথায় এসে আঘাত করে।
স্থানীয় লোকজন প্রাথমিকভাবে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করার পর আমরা পুড়ে যাওয়া কয়েকটি যানবাহনে তল্লাশি করি।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।





