জাতীয়যাচাই চলছে

‘আদালতে পা দিলেই মনে হয় এ বুঝি ভবন ধসে পড়বে’

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
‘আদালতে পা দিলেই মনে হয় এ বুঝি ভবন ধসে পড়বে’
এক নজরে
  • এ ছাড়া আইনজীবী, তাঁদের সহায়ক কর্মী এবং আদালতে আসা হাজারো মানুষকে প্রতিদিন এই আতঙ্ক মাথায় নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে
  • একটি মামলার সাক্ষ্য দিতে আদালতে এসেছিলেন কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুলের কৃষক আবদুর গণি

প্রতিদিন নানা কাজে কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে ভিড় করেন অন্তত তিন হাজার মানুষ।

’ . আদালত ভবন ঘুরে দেখা যায়, একটি-দুটি নয়, প্রায় সব কটি কলাম ও পিলারে বড় বড় ফাটল ধরেছে।

সরকারি তথ্যমতে, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অধীনে বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দুজন

কেউ আসেন ট্রেজারি শাখায়, কেউ নকলখানায়; কেউ এজলাসে হাজিরা দিতে, আবার কেউ মামলার নথিপত্রের খোঁজে।

বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে এই বিচারকদেরও অবস্থান করতে হয় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই।

সম্প্রতি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে গেলে কথা হয় আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে।

কোথাও দেয়ালের পলেস্তারা সম্পূর্ণ উঠে গেছে, কোথাও আবার ছাদ থেকে কংক্রিট খসে পড়ছে।

এমনকি প্রশাসনিক কর্মকর্তার মাথার ওপরের ছাদ থেকেও পলেস্তারা খসে পড়ার বড় বড় ক্ষত তৈরি হয়েছে।

এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে বিচারিক কার্যক্রমের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী (দ্রুত বিচার) আদালত, প্রশাসনিক শাখা, রেকর্ড রুম, সেরেস্তা, ট্রেজারি, এজলাস এবং নকল সরবরাহকারী শাখার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজ।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।

আরও পড়ুন