‘বালিকা বধূ’র আনন্দীর অপমৃত্যু, ১০ বছর পর মামলার রায়

- ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল মুম্বাইয়ের গোরেগাঁও পশ্চিমের ভাড়া বাসা থেকে প্রত্যুষার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়
- প্রত্যুষাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলা থেকে তাঁর প্রেমিক, অভিনেতা ও প্রযোজক রাহুল রাজ সিংকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত
- প্রত্যুষার মা–বাবার অভিযোগ ছিল, রাহুল তাঁদের মেয়েকে মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন
জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘বালিকা বধূ’র সেই ‘আনন্দী’কে নিশ্চয়ই মনে আছে?
২০১৬ সালের ১ এপ্রিল মুম্বাইয়ের গোরেগাঁও পশ্চিমের ভাড়া বাসা থেকে প্রত্যুষার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যুষাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলা থেকে তাঁর প্রেমিক, অভিনেতা ও প্রযোজক রাহুল রাজ সিংকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
প্রত্যুষার মা–বাবার অভিযোগ ছিল, রাহুল তাঁদের মেয়েকে মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন।
মামলার এফআইআরও তড়িঘড়ি করে করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তাঁরা।
মামলার বিভিন্ন তথ্য ও যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে শেষ পর্যন্ত রাহুলকে অব্যাহতি দেন আদালত।
আদালত বলেছেন, সেই কথোপকথন থেকে এমন কোনো প্রমাণ মেলেনি যে রাহুল প্রত্যুষাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন।
বরং কথোপকথনের এক পর্যায়ে প্রত্যুষাকে এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন রাহুল—আদালতের পর্যবেক্ষণে এমনটাই উঠে এসেছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





